ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: ২৭/০৬/২০২৬ ৬:২৯ এএম

দীর্ঘ ৯ বছর ধরে থানা পুলিশ, ডিবি, পিবিআই ও সিআইডির তদন্তে চট্টগ্রামের আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যার শিকার হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ মেলেনি। সবশেষ এ মামলার তদন্ত শেষে গত ১১ জুন ‘তথ্যগত ভুল’ মর্মে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুবকর সিদ্দিকের আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কর্ণফুলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাদী পক্ষ নারাজি না দেওয়ায় আদালত চূড়ান্ত রিপোর্ট গ্রহণ করে অভিযুক্ত ছয় আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটি নথিজাত করার আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি তাসফিয়া হত্যা মামলায় সিআইডি চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় আদালতে। এ প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেন মামলার বাদী তাসফিয়ার বাবা মো. আমিন। এরপর আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্তের জন্য পতেঙ্গা থানাকে নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে মামলার সবশেষ তদন্ত করেন সিএমপির কর্ণফুলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি সিআইডির দাখিল করা তাসফিয়া হত্যা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি হত্যাকা- হিসেবে প্রমাণিত না হওয়ায় ছয় আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এর আগে পিবিআই ও ডিবি পুলিশ এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল। সেগুলোতেও বলা হয়েছিল একই কথা।

২০১৭ সালের ১ মে নগরের গোলপাহাড় মোড় থেকে অটোরিকশায় চড়ে বাসায় যাওয়ার কথা থাকলেও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় চলে যায় নগরের একটি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসফিয়া আমিন। পর দিন সৈকতে তার মরদেহ পায় পুলিশ। তাসফিয়া কোন অটোরিকশায় চড়ে পতেঙ্গায় পৌঁছে ছিল, সেই গাড়ির হদিস পায়নি পুলিশ।

পাঠকের মতামত

বিলাসবহুল গাড়ি, তরুণ সিন্ডিকেট ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে বিস্তৃত ইয়াবা নেটওয়ার্ক

কখনো বিলাসবহুল প্রাইভেটকার, কখনো সুন্দরী নারী, কখনো পেটের ভেতর, কখনো শরীরের বিভিন্ন অংশে, আবার কখনো ...

কোর্টবাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বেকারি ও মাংসের দোকানকে জরিমানা

 কক্সবাজারের কোর্টবাজারের ভালুকিয়া রোডে মধ্যরত্না রত্নাংকুর বৌদ্ধ বিহার সংলগ্ন একটি বাসায় অবৈধভাবে পরিচালিত একটি ...

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...
Single Page Footer